মেদিনীপুরের কাঁথি থেকে উঠে আসা এক গলাবাজ নেতা আজ পশ্চিমবঙ্গের মসনদে বসতে চলেছেন। যে রাজ্যের মাটি লালন ফকির আর রবীন্দ্রনাথের সম্প্রীতির গান গেয়ে এসেছে, সেই রাজ্যের মসনদে বসতে চলেছেন এমন এক ব্যক্তি, যার রাজনৈতিক পরিচয় কেবল একজন ‘সংগঠক’ নয়, বরং এক কট্টর মুসলিম-বিদ্বেষী ও বাংলাদেশ-বিদ্বেষী প্রচারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি শুভেন্দু অধিকারী।

আজ ৮ মে ২০২৫। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অমিত শাহ তাকে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু এই ঘোষণার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মনে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে— একজন ব্যক্তি, যিনি প্রকাশ্য জনসভায় মুসলিম সম্প্রদায়কে উপড়ে ফেলার হুমকি দেন এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার প্ররোচনা দেন, তার হাতে বাংলার ভবিষ্যৎ কতটা নিরাপদ?

শুভেন্দুর গত কয়েক বছরের রাজনৈতিক পথচলা এবং তার জিহ্বা থেকে নিঃসৃত বিষাক্ত বাক্যগুলো বিশ্লেষণ করলে বেরিয়ে আসে এক ভয়াবহ আমলনামা।

শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক খেরোখাতা উল্টালে দেখা যায়, তার উত্থান যতটা না জনসেবার মাধ্যমে, তার চেয়েও বেশি সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের রাজনীতির মধ্য দিয়ে। ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই কলকাতার এক দলীয় বৈঠকে তিনি যে নজিরবিহীন কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন, তা ভারতের রাজনীতিতে বিরল। দলের কেন্দ্রীয় নীতি ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাত জোড় করে বলেছিলেন, “সবকা সাথ, সবকা বিকাশ বন্ধ করো।”

তার নতুন স্লোগান ছিল— “যো হামারে সাথ, হাম উনকা সাথ” (যারা আমাদের সঙ্গে, আমরাও তাদের সঙ্গে)। অর্থাৎ, যারা তাকে ভোট দেয়নি বা তার আদর্শে বিশ্বাসী নয়, তাদের জন্য সরকারের দরজা বন্ধ থাকবে— এমনই এক প্রচ্ছন্ন হুমকি ছিল তার কণ্ঠে।

সেদিন আরও এক ধাপ এগিয়ে তিনি দাবি করেছিলেন যে বিজেপিতে আর কোনো ‘সংখ্যালঘু মোর্চা’র প্রয়োজন নেই। তার যুক্তি ছিল, মুসলমানরা যেহেতু বিজেপিকে ভোট দেয় না, তাই তাদের কাছে টানারও কোনো প্রয়োজন নেই। একজন হবু মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকে যখন এমন বৈষম্যমূলক কথা বের হয়, তখন বুঝতে বাকি থাকে না যে তিনি কেবল একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইছেন, গোটা বাংলার নয়।

কট্টর মুসলিম-বিদ্বেষ

শুভেন্দুর ভাষায় মুসলিমরা কেবল একটি সম্প্রদায় নয়; বরং তারা তার রাজনৈতিক আক্রমণের প্রধান লক্ষ্যবস্তু। ২০২৪ সালের ৪ জুন লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর তিনি হারের সমস্ত দায় মুসলিমদের ওপর চাপিয়ে দেন। অত্যন্ত অবজ্ঞার সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, “মুসলিমরা চাকরি চায় না, ভালো হাসপাতাল চায় না, চাল-গম চায় না। তাই তারা ঢেলে তৃণমূলকে ভোট দিয়েছে।”

এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি প্রকারান্তরে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে মুসলিমরা উন্নয়নের পরোয়া করে না; তারা কেবল তোষণের রাজনীতি বোঝে।

তার বিদ্বেষপূর্ণ ভাষা আরও কদর্য রূপ নেয় ২০২৫ সালের ১১ মার্চ। বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে তিনি প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, “তৃণমূলের যে সব মুসলিম বিধায়ক জিতে আসবে, তাদের চ্যাংদোলা করে ১০ মাস পরে রাস্তায় ফেলে দেব।”

পবিত্র রমজান মাসের প্রাক্কালে এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং উসকানিমূলক মন্তব্য কেবল একজন নেতার রুচিহীনতার পরিচয় দেয় না; বরং তা বাংলার শান্তিপ্রিয় মুসলিমদের মনে গভীর ভীতি তৈরি করে। এর প্রতিবাদে বিধানসভায় নিন্দা প্রস্তাব পাস হলেও শুভেন্দু তার অবস্থান থেকে এক চুলও সরে আসেননি। বরং তিনি আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিষোদগার ও উসকানি

শুভেন্দু অধিকারীর আমলনামার একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে বাংলাদেশ-বিদ্বেষ। তিনি বারবার বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলিয়েছেন এবং উগ্র জাতীয়তাবাদের ধুয়া তুলে যুদ্ধংদেহী মনোভাব প্রদর্শন করেছেন।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ময়মনসিংহে দীপু দাস নামের এক যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তিনি যে ভাষায় কথা বলেছেন, তা কোনোভাবেই একজন দায়িত্বশীল নেতার ভাষা হতে পারে না। ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি ইসরায়েলের গাজা হামলার উদাহরণ টেনে বলেছিলেন, “গাজায় ইসরায়েল যেভাবে শিক্ষা দিয়েছে, ভারত সরকারকেও সেভাবে বাংলাদেশকে শিক্ষা দেওয়া উচিত।”

তিনি আরও বলেছিলেন, ভারত ১০০ কোটি হিন্দুর দেশ এবং এই সরকার হিন্দুদের স্বার্থে চলে। তাই ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর মতো বাংলাদেশকেও শিক্ষা দেওয়া দরকার। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এভাবে জনসমক্ষে ‘শিক্ষা দেওয়ার’ কথা বলা আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও সাধারণ শিষ্টাচারের পরিপন্থী।

শুধু তাই নয়, তিনি দাবি করেছিলেন যে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সব কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত। তার ভাষায়, “সব বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এখান থেকে কোনো কিছু বাংলাদেশে যাওয়া উচিত নয়।”

এই ধরনের মন্তব্য কেবল দুই দেশের সম্পর্ক নষ্ট করে না; বরং উভয় দেশের সীমান্তসংলগ্ন মানুষের জীবন ও জীবিকাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।

নাগরিকদের ভীতি প্রদর্শন

শুভেন্দুর রাজনীতির অন্যতম প্রধান অস্ত্র হলো ‘অনুপ্রবেশ’ জুজু। ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট তিনি কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেন যে পশ্চিমবঙ্গে ১ কোটি রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি মুসলিম ভোটার রয়েছে। তিনি মানুষকে ভয় দেখিয়ে বলেছিলেন, এখনই ব্যবস্থা না নিলে রাজ্যটির নাম বদলে ‘পশ্চিম বাংলাদেশ’ হয়ে যাবে।

এই ধরনের কাল্পনিক পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি মূলত হিন্দু ভোটারদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা ও সন্দেহ সৃষ্টি করতে চান।

২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল নন্দীগ্রামে এক প্রচারসভায় তিনি সরাসরি হুমকি দেন যে কোনো বাংলাদেশি মুসলিমের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে না এবং তাদের ‘ঝাড়াই-বাছাই’ করা হবে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে প্ররোচিত করার চেষ্টা করে বলেন, নাম বাদ গেলেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পরে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

এমনকি ২০২৬ সালের ২৯ এপ্রিল কলকাতার এক বুথে তাকে ঘিরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উঠলে তিনি অগ্নিশর্মা হয়ে বলেন, “এরা সব বাংলাদেশি মুসলিম।”

তার কাছে যেন যে কেউ তার বিরোধিতা করলেই সে ‘বাংলাদেশি’ কিংবা ‘অনুপ্রবেশকারী’। এই ধরনের মানসিকতা বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পিঠে বড় আঘাত।

মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে চরম উগ্রতা

শুভেন্দুর উগ্রবাদ এতটাই চরমে পৌঁছেছে যে তিনি জনগণের চলাফেরার ওপরও ‘ধর্মীয় বিধিনিষেধ’ আরোপ করতে চেয়েছিলেন। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তিনি এক ভয়াবহ মন্তব্য করে বলেন, “যেখানে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি, সেখানে যাবেন না।”

তিনি হিন্দুদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা এড়িয়ে চলেন। এমনকি কাশ্মীর ভ্রমণে গিয়েও কেবল জম্মুতে থাকার পরামর্শ দেন তিনি। একজন নেতা যখন নিজের রাজ্যের মানুষকে ধর্মের ভিত্তিতে এলাকা ভাগ করে চলাফেরা করতে বলেন, তখন বুঝতে হবে তিনি সমাজকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে চাইছেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তার এই মন্তব্যকে ‘সুপরিকল্পিত সাম্প্রদায়িক উসকানি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। দলটির দাবি, শুভেন্দু ঠিক সেই কাজই করছেন যা জঙ্গিরা চায়— জনসাধারণের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা এবং অর্থনৈতিক ক্ষতিসাধন করা।

হিন্দুদের রক্ষাকর্তা সাজার ভণ্ডামি

শুভেন্দু অধিকারী নিজেকে হিন্দুদের একমাত্র ত্রাণকর্তা হিসেবে জাহির করতে ভালোবাসেন। ৫ মে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তিনি অত্যন্ত দম্ভের সঙ্গে বলেন, “নন্দীগ্রামের মুসলিমরা কট্টরবাদী। তারা আমাকে ভোট দেয়নি। আমি কেবল হিন্দুদের জন্যই কাজ করব।”

এই বক্তব্য একজন হবু মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেওয়ার আগেই তার সাংবিধানিক দায়িত্বকে অস্বীকার করার শামিল। সংবিধান অনুযায়ী একজন মুখ্যমন্ত্রী সবার জন্য সমানভাবে কাজ করতে দায়বদ্ধ। কিন্তু শুভেন্দু প্রকাশ্যেই ঘোষণা করেছেন যে তিনি বৈষম্যমূলক আচরণ করবেন।

তিনি বারবার দাবি করেছেন যে পশ্চিমবঙ্গে ‘বাংলাদেশি স্টাইলে’ হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে উত্তর দিনাজপুরের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন যে মুসলিমরা বিনা প্ররোচনায় হিন্দুদের লুট করছে।

এই ধরনের একপাক্ষিক ও রঙচড়ানো বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেছেন বলে বহু বিশ্লেষক মনে করেন। তার কাছে যেন সব সমস্যার মূলে কেবল একটি বিশেষ সম্প্রদায়।

শুভেন্দু অধিকারী তার সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘর ভেঙেছেন ঠিকই, কিন্তু তার বদলে তিনি যা গড়ে তুলছেন তা হলো ঘৃণার এক বিশাল ইমারত। তার প্রতিটি বক্তব্যে ছোট ছোট বাক্যে যে আগুনের ফুলকি বের হয়, তা বাংলার শান্ত জলকে ক্রমাগত উত্তপ্ত করে তুলছে।

শুভেন্দুর উত্থান মূলত নন্দীগ্রামের মাটি থেকে। যে মাটিতে হিন্দু-মুসলিম কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জমি রক্ষার লড়াই করেছিল, আজ সেই মাটিতেই তিনি বিভাজনের বীজ বপন করছেন। তার চোখে বাংলার মুসলিমরা কেবল ‘ভোটব্যাংক’ কিংবা ‘অনুপ্রবেশকারী’। তিনি ভুলে যান, এই মাটির ঘাম আর রক্তে মিশে আছে পীর-সুফিদের দোয়া আর চণ্ডীদাসের আখ্যান।

আসছে অন্ধকারের শাসন

শুভেন্দু অধিকারীর এই দীর্ঘ আমলনামা কেবল কতগুলো মন্তব্যের সমষ্টি নয়; এটি একটি বিপজ্জনক রাজনৈতিক আদর্শের প্রতিফলন। আজ তিনি যখন শপথ নিতে যাচ্ছেন, তখন বাংলার লাখো মুসলিম নাগরিকের মনে এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে— তারা কি নিজেদের রাজ্যেই দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত হতে চলেছেন?

বাংলাদেশের মানুষের মনেও ক্ষোভ জমেছে এই ভেবে যে পশ্চিমবঙ্গের হবু মুখ্যমন্ত্রী তাদের দেশকে ধ্বংস করার হুমকি দিচ্ছেন।

শুভেন্দুর এই উগ্রবাদ ও বিদ্বেষমূলক রাজনীতি যদি নবান্নের ঘরে প্রশ্রয় পায়, তবে বাংলার হাজার বছরের সংস্কৃতি ও সৌভ্রাতৃত্ব ধূলিসাৎ হতে খুব বেশি সময় লাগবে না। তার ‘চ্যাংদোলা করে ফেলে দেওয়া’, ‘শিক্ষা দেওয়া’ কিংবা ‘ঝাড়াই-বাছাই’ করার মতো শব্দগুলো এখন কেবল হুমকি নয়; বরং এক বিভীষিকার নাম।

বাংলার মানুষ কি পারবে এই ঘৃণার রাজনীতিকে প্রতিহত করতে? নাকি শুভেন্দুর এই বিদ্বেষের আমলনামাই হবে আগামী দিনের শাসনের মূলমন্ত্র? সময় এবং ইতিহাসই এর উত্তর দেবে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কার— শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যতটা না আশার আলো দেখাচ্ছেন, তার চেয়েও বেশি সাম্প্রদায়িক অন্ধকারের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছেন।

বাংলার শান্ত নদীগুলোতে আজ যেন চোরাবালির ভয়। যে হাত দিয়ে মানুষের সেবা করার কথা, সেই হাতেই আজ উগ্রবাদী ধর্মান্ধতার তলোয়ার। শুভেন্দু অধিকারীর এই আমলনামা বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

ঘৃণা দিয়ে ঘর গড়া যায় না; কেবল ধ্বংসই ডেকে আনা যায়। শুভেন্দু অধিকারীর বিদ্বেষী রাজনীতি যেন সেই ধ্রুব সত্যকেই বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে। আজ তিনি ক্ষমতার মসনদে, কিন্তু তার পেছনে পড়ে আছে এক বিষাক্ত ইতিহাসের দীর্ঘ ছায়া, যা হয়তো বহু প্রজন্মকে বয়ে বেড়াতে হবে।

বাংলার মানুষ শান্তি চায়, বিভাজন নয়। শুভেন্দুর এই ‘আমলনামা’ সেই শান্তির পথেই আজ সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে।