
reporter
reporter
Author Archive



সামাজিক মাধ্যমে নানা ব্যাখ্যা

বিরোধী আসনে উন্নয়ন তদারকিতে নারী এমপিরা


ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বর। ২০১৩ সালের ৫ মে দিবাগত রাত। ঘড়ির কাঁটা তখন রাত ২টা ১৫ মিনিট। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্যিক এলাকাটি তখন হাজার হাজার মানুষের অবস্থানে পরিণত হয়েছিল। হেফাজতে ইসলাম ঘোষিত সমাবেশে অংশ নেওয়া মানুষদের অনেকেই ক্লান্ত শরীরে ঘুমিয়ে ছিলেন, কেউ ইবাদতে মগ্ন ছিলেন, কেউবা ভোর হলে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় হঠাৎ করে নিভিয়ে দেওয়া হয় পুরো এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ। চারপাশ নিমিষেই অন্ধকারে ঢেকে যায়।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি বরাবরই দেশটির জাতীয় রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একসময় টানা তিন দশকের বেশি সময় বামফ্রন্টের অপ্রতিদ্বন্দ্বী আধিপত্য ছিল রাজ্যটিতে। পরে ‘পরিবর্তন’-এর ডাক দিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। আর এখন সেই পশ্চিমবঙ্গেই দেখা যাচ্ছে নতুন এক বাস্তবতা, গেরুয়া শক্তির উত্থান।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় শেষ হয়েছে। আর ফলাফল ঘোষণার প্রাক্কালে রাজনৈতিক উত্তেজনাকে ঘিরে ‘অবৈধ অভিবাসী’ ইস্যু আবারও কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। নির্বাচনী প্রচারণা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং রাজনৈতিক বক্তব্য —সব মিলিয়ে এই প্রশ্নটি এমনভাবে আলোচনায় এসেছে, যা শুধু ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। জামায়াতের আট নারী যাচ্ছেন সংসদে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে যাচ্ছেন দুজন। এ ছাড়া জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) একজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের একজন এবং জুলাই শহীদ পরিবারের একজনকে নারী আসনের সংসদ সদস্য করা হচ্ছে এই জোট থেকে।