চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের হাতুড়ির আঘাতে মো. শাহাদাত (৩০) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এর আগে রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে উপজেলার রাস্তার মাথা এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে তার ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত শাহাদাত সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার মৃত শফি আহমদের ছেলে। তিনি বিবাহিত এবং চার সন্তানের জনক।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে একই এলাকা থেকে ইয়াবাসহ লোহাগাড়ার এক চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে যৌথবাহিনী গ্রেফতার করে। ওই ঘটনায় শাহাদাতের সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ পোষণ করত একটি পক্ষ। সেই বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন স্বজনরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহাদাতের একটি চায়ের দোকান রয়েছে। ঘটনার সময় তিনি দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে মুখোশধারী প্রায় ১৫ জনের একটি দল এসে শাহাদাতের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। স্থানীয়রা ছুটে এলে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে উপজেলা পর্যায়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির কামাল উদ্দিন বলেন, শাহাদাত আমাদের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
সাতকানিয়া থানার ওসি মঞ্জুরুল হক জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় স্কয়ার মাস্টার বাড়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিএনপি সরকার ও দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে সাথী আক্তার নামে এক নারী উদ্যোক্তাকে আটক করেছে পুলিশ।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের তিন সদস্যকে মারধর করা হয়েছে।
পূজামণ্ডপে বক্তব্য দিতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপির এক নেতাকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান। তাঁকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি এলাকায় প্রচার চালানোর আহ্বানও জানান তিনি। এ সময় সংসদ সদস্যের (এমপি) পাশে বসে হাততালি দেন পীরগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম রব্বানী সরদার। ঘটনাটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর নির্বাচনে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।