বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াদ আহমেদ রাজকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাত্রদলের সাবেক নেতা রিয়াদ আহমেদ রাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে নিজের একটি সম্পাদিত (এডিটেড), ভুয়া ও বিকৃত ছবি প্রচারে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র অনৈতিক বা শৃঙ্খলা বহির্ভূতই নয়, বরং এটি একটি ফৌজদারি অপরাধের শামিল। এই অসৎ কর্মকাণ্ড সংগঠনের ভাবমূর্তির জন্য চরম হুমকিস্বরূপ।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিয়াদ আহমেদ রাজকে ছাত্রদলের সকল পদসহ প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। এখন থেকে সংগঠনের কোনো স্তরের নেতাকর্মী রিয়াদ আহমেদ রাজের সাথে কোনো প্রকার যোগাযোগ বা সম্পর্ক রাখতে পারবেন না। একইসাথে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য সকল স্তরের নেতাকর্মীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, রিয়াদ আহমেদ রাজ ছাত্রদলের শ্রাবণ-জুয়েল কমিটির সহ-অর্থ সম্পাদক ছিলেন। তবে বর্তমান রাকিব-নাছির কমিটিতে কোনো পদ পাননি। যদিও সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে ছাত্রদলের উপ-কমিটিতে ছিলেন তিনি।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সংসদ ভবন কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে এডিটেড ছবিতে ছাত্রদলের এই নেতাকে সঙ্গে দেখা যায়। ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করে লেখেন, আস্থা, বিশ্বাস! তারেক রহমান। এরপর তাকে বহিষ্কারের নোটিশ দিল ছাত্রদল।
জানতে চাইলে রিয়াদ আহমেদ রাজ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, এক ছোট ভাই ছবিটি তৈরি করে আমাকে দিয়েছিল। পরে আমি ছবিটা দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ি এবং সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুকে শেয়ার করি।
তিনি আরও বলেন, যদিও ছবিটা শেয়ার করা উচিত হয়নি। আমি ১৭ বছর রাজপথে ছিলাম। তাই দলের হাইকমান্ডের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকবে, আমার ভুল-ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবে। বিশেষ করে দলের প্রধান তারেক রহমান উদার মনের মানুষ। উনি আমার ত্রুটিটি ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আশা করছি।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় স্কয়ার মাস্টার বাড়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিএনপি সরকার ও দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে সাথী আক্তার নামে এক নারী উদ্যোক্তাকে আটক করেছে পুলিশ।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের তিন সদস্যকে মারধর করা হয়েছে।
পূজামণ্ডপে বক্তব্য দিতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপির এক নেতাকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান। তাঁকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি এলাকায় প্রচার চালানোর আহ্বানও জানান তিনি। এ সময় সংসদ সদস্যের (এমপি) পাশে বসে হাততালি দেন পীরগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম রব্বানী সরদার। ঘটনাটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর নির্বাচনে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।