সংস্কার সাধন না হলে আগামী পাঁচ বছরেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের কাছে জনগণের যা চাওয়া তার কোনো মাত্রাতেই স্বস্তিজনক খবর নাই। দ্রব্যমূল্য মানুষের নাগালের বাইরে, জ্বালানিখাতে দফায় দফায় হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। জননিরাপত্তায় তেমন কোনো উন্নতি নাই। বিনিয়োগ পরিস্থিতি ভয়াবহ। সরকারের ছয় মাস অতিক্রান্ত হয়েছে, কিন্তু দেশের সার্বিক পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয় নাই।’

‘এর কারণ রাষ্ট্রের কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন আসে নাই, নীতিগত সংস্কার হয় নাই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কেবলই ব্যক্তির পরিবর্তন হয়েছে। রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তন হয় নাই। সংস্কার সাধন না হলে আগামী পাঁচ বছরেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে না। তাই জনপ্রত্যাশা পূরণে সংস্কার করতেই হবে। বিশেষ করে সাধারণ ভোটের আনুপাতিক হারের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে। আর্থিকখাতে কঠোর শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নিয়মিত বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে গাজী আতাউর রহমান এসব কথা বলেন। দলের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়ক কে এমন শরীয়তুল্লাহ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

রাজধানীর পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যায় সৃষ্ট জনদুর্ভোগ ও উৎপাদন বিঘ্নিত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সেই সঙ্গে গ্যাস ও জ্বালানিখাতে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান বের করতে গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব আশরাফুল আলম, নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব আহমদ আবদুল কাইয়ুম, শেখ ফজলুল করীম মারুফ, দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসাইন জাফরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম, আতিকুর রহমান মুজাহিদ, মানসুর আহমদ সাকী, খলিলুর রহমান, নুরুল করীম আকরাম, নাসির উদ্দিন, আবু তাহের, শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, কে এম শরীয়াতুল্লাহ ও শেখ মারুফ।