আঁধার নামছে অর্থনীতির চাকা ঘোরানো ব্যাংকটিতে

বাংলাদেশের অর্থনীতির ভেতরে যদি কোনো একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘রক্তপ্রবাহ’ বলা হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে সেই তালিকায় থাকবে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। রেমিট্যান্স, আমানত, শিল্প ঋণ এবং প্রান্তিক অর্থনীতির বিস্তৃত নেটওয়ার্ক—সব মিলিয়ে ব্যাংকটি শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় চালিকাশক্তি। তবে আওয়ামী দুঃসাশনের সময় থেকে সম্প্রতি বিএনপি সরকারের সময়ে এসেও নানা বির্তর্কিত কর্মকাণ্ডে ব্যাংকটির চারপাশের কুয়াশা যেন কাটছেই না। সবমিলিয়ে ব্যাংকটিকে ঘিরে এখনও জমে আছে অনিশ্চয়তার বিশাল এক ছায়া।
মতিঝিলের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এখনও থমথমে পরিস্থিতি। বাতাসে ভাসছে এক অজানা আতঙ্ক। এক সময়ের শতভাগ আস্থার এই প্রতিষ্ঠানটির ওপর এখন কাদের যেন অশুভ নজর পড়েছে। যে ব্যাংকটি কোটি মানুষের আমানত আর প্রবাসীদের রক্তপানি করা রেমিট্যান্সে ভর করে দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছিল, আজ তাকেই ঘিরে চলছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। ব্যাংকের কর্মকর্তা, সাধারণ গ্রাহক আর শেয়ারহোল্ডারদের মনে এখন কেবলই প্রশ্ন—কেন এবং কারা ইসলামী ব্যাংক দখলের এই সর্বনাশা খেলায় মেতে উঠেছে? ব্যাংকটিকে অস্থিতিশীল করে তোলার পেছনে কোন সুদূরপ্রসারী নীলনকশা কাজ করছে?
ইসলামী ব্যাংক দখল বা ধ্বংসের এই প্রক্রিয়াটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি মূলত আমাদের চারপাশের চেনা ঘুণে ধরা রাষ্ট্রব্যবস্থার এক নির্মম বহিঃপ্রকাশ। বিগত দিনগুলোতে আমরা দেখেছি কীভাবে ধনিক শ্রেণি বা নীতিবর্জিত ব্যবসায়ী মহল দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিকে নিজেদের পকেটে পুরেছে। বিশ্বব্যাংকের গবেষকরা বহু আগে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর ভেঙে পড়া অর্থনীতি দেখে ‘স্টেট ক্যাপচার’ বা রাষ্ট্র দখলের যে তত্ত্ব দিয়েছিলেন, আজ বাংলাদেশে ঠিক সেটাই বাস্তব রূপ নিয়েছে।
এই অলিগার্ক বা মাফিয়া এলিট গোষ্ঠী রাজনৈতিক শক্তির সাথে হাত মিলিয়ে পুরো ব্যাংক খাতকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চক্রান্ত করছে। ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের বারবার সংশোধন তারই প্রমাণ দেয়। স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর আইনকে নিজের মতো করে বদলে নেওয়ার এই সুযোগই ইসলামী ব্যাংকের মতো এক বিশাল গণপ্রতিষ্ঠানকে লুটেরাদের হাতে তুলে দেওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করেছিল।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, এই ব্যাংকটিকে যখন প্রথমবার জোরপূর্বক দখল করা হয়, তখন সমাজ ও রাষ্ট্রের সব পর্যায়ের সুবিধাভোগী এলিটদের নিয়ে একটি অলিখিত জোট তৈরি হয়েছিল। সেই বোর্ডে ব্যবসায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিচারক, অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও সামরিক-বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বসানো হয়েছিল। তারা সবাই মিলে এই অবৈধ দখলদারিত্বকে এক ধরনের সামাজিক ও আইনি বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
এদের নিজেদের পেশাগত যোগ্যতা হয়তো কম ছিল না, কিন্তু লোভের কাছে তাদের নৈতিকতা সম্পূর্ণ পরাস্ত হয়েছিল। তারা একবারও ভাবেননি যে একটি দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ডকে তারা এভাবে এক মাফিয়া লুটেরা চক্রের হাতে তুলে দিচ্ছেন।
এই দখলের পটভূমি কিন্তু রাতারাতি তৈরি হয়নি। এর পেছনে ছিল এক দীর্ঘদিনের সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তিক ষড়যন্ত্র। দেশের একশ্রেণির তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও ইসলামবিদ্বেষী সুশীল সমাজ বছরের পর বছর ধরে সেমিনার কক্ষে বসে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে এক ধরনের নেতিবাচক বয়ান তৈরি করেছিলেন। এর মূলে ছিল অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাতের দেওয়া ‘মৌলবাদী অর্থনীতি’র তত্ত্ব। তিনি তার বিভিন্ন গবেষণামূলক প্রবন্ধে উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদের রাজনৈতিক অর্থনীতির দোহাই দিয়ে ইসলামী ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ইসলামি ভাবধারার সব বৈধ ব্যবসাকে একই পাল্লায় মেপেছিলেন। তিনি এই খাতগুলোকে ‘অর্থনীতির ভেতরে আরেক অর্থনীতি’ বলে প্রচার করেন, যা জনমনে এক ধরনের স্থায়ী সন্দেহ ও বিভ্রান্তি তৈরি করে।
তবে এই ‘মৌলবাদী অর্থনীতি’র তত্ত্বটি যে কতটা দুর্বল ও অনুমাননির্ভর ছিল, তা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও স্বীকার করেছে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ স্পষ্টভাবে বলেছিল যে, এই হিসাবগুলো কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা অডিটকৃত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং নিছক কিছু ধারণার ওপর দাঁড় করানো হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের মেরুকরণ ও বিভাজনের রাজনীতিতে এই বিপজ্জনক শব্দভাণ্ডারটিকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হলো।
কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানকে একবার ‘মৌলবাদী’ তকমা দিতে পারলে তার দখলকে ‘সংস্কার’ আর তার ধ্বংসকে ‘জনস্বার্থ’ বলে চালিয়ে দেওয়া সহজ হয়। ঠিক এই কাজটিই করা হয়েছিল ২০১৭ সালের পর, যখন চট্টগ্রামভিত্তিক ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলম সম্পূর্ণ গায়ের জোরে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয়।
এস আলম গ্রুপের সেই দখলদারিত্বের পর ইসলামী ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে প্রায় এক লাখ পাঁচ হাজার চারশত তিরাশি কোটি টাকা বের করে নেওয়া হয়। এই বিপুল অর্থ মূলত আমানতকারীদের টাকা, যা প্রভাব খাটিয়ে পাচার ও আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর ফলে পুরো ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের এক বিশাল পাহাড় তৈরি হয়।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের পরও যখন ব্যাংকটি নিজের পায়ে আবার দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই আবারও এক রহস্যময় ও কুমতলবপূর্ণ খেলা শুরু হয়। সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান ড. জুবায়েদুর রহমান ও এমডি মো. ওমর ফারুক খানকে তড়িঘড়ি করে পদত্যাগ করিয়ে সেখানে বসানো হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে, যিনি বিগত ফ্যাসিবাদের এক অনুগত আমলা হিসেবে পরিচিত।
এই নতুন চেয়ারম্যানকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না ব্যাংকের গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। গ্রাহকদের বিক্ষোভের মুখে বিতর্কিত এই চেয়ারম্যান এখনো ব্যাংকে পা রাখতে পারেননি।
আমানতকারীদের সংগঠন ‘গ্রাহক ফোরাম’ যখন তাদের জমানো টাকার নিরাপত্তার দাবিতে ও বিতর্কিত চেয়ারম্যানের অপসারণ চেয়ে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করছিল, তখন তাদের ওপর সরকারি নির্দেশে পুলিশ জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
এই দৃশ্য দেখে মানুষ আজ স্তব্ধ। বর্তমান সরকারের ভেতর কি একজনও সৎ, যোগ্য ও অভিজ্ঞ মানুষ ছিল না, যাকে এই ব্যাংকের দায়িত্ব দেওয়া যেত? কেন এই একঘেঁয়েমি মনোভাব? কার স্বার্থে দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংকটিকে আবার একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে?
মনে রাখতে হবে, ইসলামী ব্যাংক কোনো সাধারণ ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান নয়। এটি এ দেশের মেহনতি মানুষের ভালোবাসা ও আস্থার এক বিশাল স্তম্ভ। দেশের মোট আমানত ও বিনিয়োগের এক বিরাট অংশ এই ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করে রাখছে যে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স, তার প্রায় উনত্রিশ শতাংশ একাই নিয়ে আসে এই ব্যাংক। টানা আঠারো বছর ধরে রেমিট্যান্স আহরণে এই ব্যাংকটি দেশের প্রথম স্থান ধরে রেখেছে।
শুধু ২০২৫ সালেই ব্যাংকটি ছিয়াত্তর হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নানা অপপ্রচার ও গুজবের মধ্যেও মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির মোট আমানত বাইশ হাজার কোটি টাকা বেড়ে এক লাখ তিরাশি হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
এই বিশাল আমানত ও প্রবাসীদের আস্থার জোরেই ব্যাংকটি দেশের শিল্প ও কর্মসংস্থানে অভাবনীয় অবদান রেখেছে। দেশের গার্মেন্টস, কৃষি, আবাসনসহ প্রায় ছয় হাজারেরও বেশি বৃহৎ শিল্প প্রকল্পে এই ব্যাংকের সরাসরি অর্থায়ন রয়েছে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা এসএমই খাতে শীর্ষ অর্থায়নকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় বারো মিলিয়ন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে তাদের পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচি (আরডিএস)-এর মাধ্যমে প্রায় ১.৯ মিলিয়ন প্রান্তিক পরিবার আজ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।
ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় তাদের ‘সেলফিন’ অ্যাপ প্রায় সাড়ে চার মিলিয়ন মানুষ ব্যবহার করছে। চারশত শাখা, দুইশত একাত্তরটি উপশাখা ও দুই হাজার আটশত এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে ব্যাংকটি দেশের প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছে।
একই সঙ্গে এটি দেশের ব্যাংকিং খাতে অন্যতম সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, যা সরাসরি রাষ্ট্রের রাজস্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখন যদি এই বিশাল প্রতিষ্ঠানটিকে কোনো অশুভ মহলের চক্রান্তে ধসিয়ে দেওয়া হয়, তবে বাংলাদেশের অর্থনীতি আর খাদের কিনারে থাকবে না—সরাসরি অতল গহ্বরে তলিয়ে যাবে।
ইসলামী ব্যাংক যেহেতু দেশের ব্যাংকিং খাতের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আমানত ধারণ করে, তাই এটি কোনো কারণে ব্যর্থ হলে পুরো আর্থিক খাতে ভয়াবহ চেইন রিঅ্যাকশন বা ডমিনো ইফেক্ট তৈরি হবে। প্রথমত, সাধারণ মানুষের ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর যে সামান্য আস্থা অবশিষ্ট আছে, তা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে। সবাই একযোগে সব ব্যাংক থেকে টাকা তোলার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়বে, যা পুরো ব্যাংকিং খাতকে মহাসংকটে ফেলবে।
দ্বিতীয়ত, বাজারে তীব্র তারল্য সংকট দেখা দেবে। ৪.৭৪ ট্রিলিয়ন টাকার এই বিশাল আমানত যদি কোনো কারণে আটকে যায়, তবে নতুন ঋণ প্রবাহ ও বিনিয়োগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে। শিল্পকারখানাগুলো মূলধন সংকটে পড়ে বন্ধ হয়ে যাবে, উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং দেশে ভয়াবহ বেকারত্ব তৈরি হবে। আর এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যদি অতিরিক্ত টাকা ছাপাতে শুরু করে, তবে মুদ্রাস্ফীতি আকাশচুম্বী হবে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা হয়ে উঠবে অসহনীয়।
তাই আজ সময় এসেছে আসল সত্যকে চেনার। ইসলামী ব্যাংকের মূল সংকট কোনো ধর্মীয় বা আদর্শিক ছিল না; এটি ছিল নিছকই সুশাসনের অভাব ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের নগ্ন রূপ।
একে ‘মৌলবাদী প্রতিষ্ঠান’ বলে সন্দেহ করার যে ভুল পথ তৈরি করা হয়েছিল, তা আসলে লুটেরাদের পথ পরিষ্কার করার কৌশল ছিল।
আমাদের প্রয়োজন ছিল দ্বিতীয় পথটি—যেখানে আইন সংস্কার, কঠোর তদারকি, মূলধন পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত স্বাধীন শরিয়াহ বোর্ডের মাধ্যমে ব্যাংক পরিচালনা নিশ্চিত করা হতো। কিন্তু তা না করে প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে নোংরা রাজনীতি শুরু হয়েছে। আজকের এই ক্রান্তিকালে দেশের অর্থনীতি, শিল্প ও কোটি মানুষের রুটি-রুজির স্বার্থে সরকারকে এই একঘেঁয়েমি মনোভাব পরিহার করতে হবে। কোনো একজন বিতর্কিত চেয়ারম্যানের চেয়ে ব্যাংক অনেক বড়, আর ব্যাংকের চেয়ে বড় দেশের অর্থনীতি।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নীতিনির্ধারকদের মনে রাখা উচিত, জনগণের ক্ষোভের আগুনকে পুলিশ দিয়ে চেপে রাখা যায় না। জুলাই বিপ্লবের পর মানুষ যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল, সেখানে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষমতার অপব্যবহার কেউ আশা করেনি।
এখনই যদি অতীত লুটেরাদের দোসরদের ব্যাংক থেকে সরিয়ে দেওয়া না হয়, তবে এই দেশের আর্থিক খাতকে আর কোনোদিন বাঁচানো যাবে না। দেশের বুদ্ধিজীবী, তরুণ সমাজ এবং সাধারণ মানুষ—সবাইকে আজ এই লুণ্ঠন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে, নচেৎ আগামী দিনের ইতিহাস আমাদের কাউকে ক্ষমা করবে না।









