ইসরাইলের ২৭ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষায় কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। লিকুদ পার্টি একক দল হিসেবে এগিয়ে থাকলেও নেতানিয়াহুর জোটকে সরকার গঠনে জটিল সমীকরণের মুখে পড়তে হতে পারে।

নাফতালি বেনেটের কড়া বার্তা: ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বলেছেন, “নেতানিয়াহু হেরে গেছেন এবং তাঁকে বাড়ি ফিরে যেতে হবে। যারা দেশের জন্য কাজ করে, তাদের নিয়ে একটি জায়নবাদী সরকার গঠন করতে আমরা সবকিছু করব।”

আরব দলগুলোর আসন বাড়ার সম্ভাবনা:

২০২২ সালের নির্বাচনে আরব দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১০টি আসন পেয়েছিল। এবারের বুথফেরত সমীক্ষায় তাদের সম্ভাব্য আসন ১৭–১৮টি বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এই বৃদ্ধি বাস্তব হলে ইসরাইলের সংসদে আরব নাগরিকদের অধিকার, বৈষম্য ও নিরাপত্তার প্রশ্নে তাদের রাজনৈতিক ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

ফিলিস্তিনের জন্য কি এটি সুসংবাদ?

নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে তা তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। তবে নেতানিয়াহুর বিদায় মানেই ফিলিস্তিনিদের মুক্তি নয়। বেনেটের প্রস্তাবিত সরকারও একটি জায়নবাদী সরকার। ফলে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ, পশ্চিম তীরে দখলদারত্ব ও বসতি সম্প্রসারণের অবসান এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে নীতিগত পরিবর্তন আসবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।

ফিলিস্তিনিদের প্রকৃত লাভ হবে তখনই, যখন ইসরাইলের রাজনৈতিক পালাবদল যুদ্ধ বন্ধ, দখলদারত্বের অবসান ও ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারে বাস্তব পরিবর্তন আনবে।