শাহ আলী মাজারে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ইসলামী ফ্রন্টের

হজরত শাহ আলী (রাহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট। সংগঠনটির নেতারা এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। শনিবার (১৬ মে) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব অধ্যক্ষ স.উ.ম আবদুস সামাদ বলেন, ইন্ট্রিম সরকারের আমল থেকে চলে আসা মব সন্ত্রাসের রাজত্ব নির্বাচিত সরকারের আমলেও পুনরাবৃত্তি হবে, এটা কখনো মেনে নেওয়া যায় না। ইউনূস সরকারের সময় ‘তৌহিদী জনতা’ নামে বিভিন্ন মাজারে যারা হামলা চালিয়েছে, তারাই হজরত শাহ আলী বাগদাদী (রাহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে হামলা করেছে।
তিনি দাবি করেন, ‘তৌহিদী জনতা’ নাম ব্যবহার করে কখনো হেফাজত, কখনো জামায়াতপন্থীরা এসব হামলার সঙ্গে জড়িত থাকে। সব হামলাকারীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।
হজরত শাহ আলী (রাহ.)-এর মাজারে হামলার পেছনে স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আবদুস সামাদ। তিনি বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন বলছে তারা কোনো অভিযান পরিচালনা করেনি, আবার স্থানীয় সংসদ সদস্য বলছেন প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে।
প্রশাসন ও সংসদ সদস্যের দ্বিমুখী বক্তব্যই প্রমাণ করে এটি পরিকল্পিত হামলা।’ এমনকি তাদের মুখোশ জাতির কাছে উন্মোচিত হয়ে গেছে বলেও দাবি তার।
ইসলামী ফ্রন্ট ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে দলের সিনিয়র সহসভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল হাকিমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন নুরীর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ ড. এ কে এম মাহবুবুর রহমান, অ্যাডভোকেট কাজী মোহাম্মদ ইসলাম উদ্দীন দুলাল, নাসির উদ্দীন মাহমুদ, ইসলামী যুবসেনার সভাপতি অধ্যক্ষ ডা. এস এম সরওয়ার, কাজী মোহাম্মদ তৈয়ব আলী, ইঞ্জিনিয়ার আলম জালালী, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, আব্দুল হাই আমজাদী ও মুহিব্বুল্লাহ জালালী প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।









